গণনাট্য সংঘ বা আইপিটি-র প্রসঙ্গ উঠলেই আলোচনায় সাধারণত তিনটি বিষয় ঘুরে ফিরে আসে—
(১) বামপন্থী সাংস্কৃতিক আন্দোলন,
(২) সলিল চৌধুরীর সুরের বিস্ময়,
(৩) এবং কেন সলিলরা গণনাট্যে বেশিদিন থাকতে পারলেন না।
এই চেনা বৃত্তে ঘুরে ঘুরে পুরোনো যুক্তির পুনরাবৃত্তি করতে আমার বিশেষ আগ্রহ নেই। বরং আমি দেখতে চাই— সলিল চৌধুরীর গণনাট্যের গান কীভাবে সে যুগের এক অনন্য মোবিলাইজেশন টেকনোলজি হয়ে উঠেছিল।
আমরা দেখব, আজকের যুগের ফেসবুক ইউটিউব ভাইরাল স্ট্র্যাটেজির বিকল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণনাট্য সংঘ ও সলিল চৌধুরীর ভূমিকা অতীতে কীভাবে কাজ করেছিল। এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে— তাঁর সুর, তাঁর রাজনৈতিক বীক্ষা আমাদের বুকের ভেতর প্রবেশ করেছিল কোনো রেডিও, ‘শোনা গান’ বা ইউটিউবের দৌলতে নয়। অথচ আমরা সলিল চৌধুরীকে চিনতে পারি ৮০-৯০-এর দশকেই— যেখানে বলাগড়ের মতো গ্রামে সলিল চৌধুরী ঢুকে পড়েছিলেন নিঃশব্দে, যখন তথ্য পৌঁছানোর গতি ছিল কচ্ছপের মতো ধীর।
আমি তখন বলাগড় উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র, সেই স্কুলের শিক্ষক ছিলেন প্রদোষ কুমার বসু গান গাইতেন আমাদের গান শেখাতেন এবং অবশ্যই ছিলেন গণনাট্যের কর্মী। এক শীতের রোদেলা দুপুরে রিহার্সালের সময় হঠাৎ আমাদের কানে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন সলিলের গান। আমরা বুঝতেই পারলাম না কখন কোন্ অদৃশ্য নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে গেলাম— শুরু হল এক বোধের জন্ম, যা আজও অমলিন। তখন বুঝিনি এটা ছিল আজকের ভাষায় প্রযুক্তিগত ইঞ্জিনিয়ারিং গণনাট্যের মোবিলাইজেশন টেকনোলজির অন্তর্গত। সেই অভিজ্ঞতাই আমাকে আজকে বুঝতে সাহায্য করছে— সেদিনের গণনাট্যের সাংগঠনিক দক্ষতা ছিল কী ভয়ঙ্কর এবং গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক হাতিয়ার, একটি নিঃশব্দ বিপ্লব।
অনেক গবেষক মনে করেন ঐতিহাসিকভাবে সমষ্টিগত গান গাওয়া রাজনৈতিক সংগঠনের এক প্রাচীন ও কার্যকর পদ্ধতি। মানুষ যখন একসঙ্গে সুর তোলে, তখন তা কেবল সাংস্কৃতিক নয়, রাজনৈতিক বার্তাও ছড়িয়ে দেয়। ‘প্রযুক্তি’ শব্দটি এখানে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সে সময়ে রেডিও সীমিত, সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রিত, সরকারি প্রচার একপেশে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। সেই অন্ধকারে গান ছিল দ্রুততম, নির্ভুলতম, সবচেয়ে আবেগময় তথ্যবাহক— এক প্রকার রাজনৈতিক ইন্টারনেট।
এই কারণে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া—
“পথে এবার নামো সাথী,
পথেই হবে এ পথ চেনা…”
গানটি যদিও একক কণ্ঠে গাওয়া, কিন্তু তার কথা, তার মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট এবং সলিলের সুরে আর হেমন্ত কন্ঠের জাদুতে হয়ে যায় জনগণের গান— এক রাজনৈতিক স্টেটমেন্ট।
গান—তথ্যপ্রযুক্তির প্রাচীনতম রূপ
বাংলার গ্রাম্য সমাজে গান ছিল চিরকাল এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যবাহক। বাউল, জারিগান, চারণ কবিদের লেখা গানে বা কবির লড়াই প্রভৃতি গানে সমাজের পরিবর্তন, অর্থনীতির টানাপোড়েন, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব মানুষের কাছে পৌঁছে যেত সুরের মাধ্যমে। তাই বঙ্গভঙ্গের সময় মুকুন্দ দাসের গান যেমন আন্দোলন মধ্যে দিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, ঠিক তেমনই গণনাট্য সংঘ তার গানকে ব্যবহার করল এক সংগঠিত পলিটিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম হিসেবে। এই কাজে সলিল চৌধুরী ছিলেন প্রকৃত অর্থেই গণনাট্যের সার্থক কর্মী, সাফল্যের দিক দিয়ে গণনাট্যের উত্তম কুমার।
এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমার মনে হয় সলিল চৌধুরীর নেতৃত্বে গণনাট্য নির্মাণ করেছিল এমন একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে গান ছিল বার্তা, সুর ছিল নোটিফিকেশন, মানুষ ছিল ডেটাবেস। দুর্ভিক্ষের সময় যখন সংবাদপত্র গ্রামে পৌঁছাত না— গান পৌঁছে যেত। যখন সরকারি প্রচার বিভ্রান্তি ছড়াতো— গানে যে যে সত্যি কথাগুলো বলা হতো তাতে রাষ্ট্রযন্ত্র সলিলকে ভয় পেত, প্রশাসন বাধা দিতে চাইলে—গান আবার অন্য পথে, অন্য মানুষের মুখে পুনর্জন্ম নিত।
এটাই ছিল প্রযুক্তির মূল নীতি— কম সম্পদ, কিন্তু সর্বোচ্চ পরিসর।
সলিল চৌধুরী: সুরকার নন, রাজনৈতিক প্রযুক্তিবিদ
সলিল চৌধুরীর মৌলিকতা এখানেই—তিনি গানকে দেখেছিলেন এক Social Operating System হিসেবে। তাঁর শিল্পের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের মধ্যে আলোড়ন জাগানো, পরিবর্তনের শক্তি সঞ্চার করা। তিনি জানতেন মানুষের মন কোন্ চ্যানেলে সাড়া দেয়; তাই তাঁর প্রতিটি গান ছিল নির্দিষ্ট পরিকল্পনার অংশ— কোথায় গাওয়া হবে, কারা শুনবে, কোন্ শ্রেণির মানুষের কষ্টকে ভাষা দেবে, কোন্ আন্দোলনে তা স্লোগান হয়ে উঠবে। উজ্জ্বল উদাহরণ—
“হেই সামালো ধান হো,
কাস্তে তে দাও শান হো,
জান কবুল আর মান কবুল,
আর দেবো না রক্তে বোনা ধান
মোদের প্রাণ হো।”
এখানে ভাষা, শব্দচয়ন, উচ্চারণ, সুর—সবই ভদ্রলোকের সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অন্য এক শ্রেণির অবস্থান থেকে গাওয়া। এখানে সলিল চৌধুরী অনন্য অসাধারন গানের মধ্য দিয়ে জনগণকে রাজনৈতিক ভাবে মোটিভেট করতে তিনি ছিলেন এক এগিয়ে থাকা শিল্পী, ফলে তেভাগা আন্দোলনের এই গান নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর কাছে রাজনৈতিক বোধ হিসেবে খুব দ্রুত পৌঁছে গেছিল।
এই ধরনের উদ্দেশ্যমূলক গানগুলোই সলিলের হাতিয়ার রাজনৈতিক প্রযুক্তি—যেখানে লিরিক ছিল অ্যাকশন কল, সুর ছিল মেসেজিং সিস্টেম, আর গায়করা ছিলেন মোবিলাইজার।
সিঙ্ক্রোনাইজেশন টেকনোলজি: মিছিলের ছন্দ
মিছিল যখন একসঙ্গে গান ধরে হাঁটে, তখন তা শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকে না—তা হয়ে ওঠে এক সামষ্টিক সিঙ্ক্রোনাইজেশন প্রযুক্তি। বহু গবেষক বলেছেন— গান মানুষের ব্যক্তিগত আবেগকে বৃহত্তর সমষ্টিগত আবেগের সঙ্গে মিলিয়ে দেয়। একই ছন্দ মানে একই গতি, একই আবেগ, একই লক্ষ্য। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় অতি সম্প্রতি “তু জিন্দা হ্যায় জিন্দেগি” গানটির কথা, গানটির লাইনগুলোতেও যে সিঙ্ক্রোনাইজেশন আছে তা অনবদ্য। সুতরাং এই দিক দিয়ে আমরা দেখি গণনাট্য সংঘের সিঙ্ক্রোনাইজেশন প্রযুক্তিকে স্বার্থ রূপ দিয়েছিলেন সলিল চৌধুরী— যেখানে সুর নেমে আসতো সংগঠনের পথে, স্লোগানকে পরিণত করতো এক কবিতার বুননে।
গান: দারিদ্র্যের প্রযুক্তি, কিন্তু সর্বাধিক কার্যকর
গণনাট্যের গান ছিল ‘লো-টেক’ প্রযুক্তি—কিন্তু তার কার্যকারিতা ছিল ‘হাই-ইমপ্যাক্ট’। গাইতে টাকা লাগে না, যন্ত্র লাগে না, বিদ্যুৎ লাগে না, অনুমতিও লাগে না। দরকার কেবল একজন মানুষ, যার কণ্ঠে আছে সত্যের স্পন্দন। হাটে, বাসস্ট্যান্ডে, নদীর ঘাটে, স্কুল মাঠে— যে কোনো জায়গায় গান গাওয়া যেত। তাই সলিলের এক একটি গান দ্রুত ছড়িয়ে পড়তো জেলায় জেলায় গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে প্রশাসন দমাতে পারত না, সেন্সরশিপ আটকাতে পারত না। প্রযুক্তির শ্রেষ্ঠ সংজ্ঞা এটাই—স্বল্প খরচে সর্বোচ্চ ফল। আর এই কারণে রাষ্ট্রের কাছে ভয়ের কারণ ছিলেন সলিল চৌধুরী সেই কারণে তাকে আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকতে হয়েছে অনেকবার।
গান ছিল রাজনৈতিক ভাইরাল মিডিয়া
আজ আমরা যে ‘ভাইরাল’ শব্দ ব্যবহার করি— তা তখন গানেই ছিল। সলিল চৌধুরীর সুর, গণনাট্যের পরিবেশনা, সহজ স্মরণশক্তির রিদম— সব মিলিয়ে গান ছড়িয়ে পড়তো লোক থেকে লোকান্তরে। কারণ গান রাষ্ট্রের ভাষা নয়—গান মানুষের ভাষা। আর মানুষের ভাষা সবসময় দ্রুত ছড়ায়, রাষ্ট্রের ভাষাকে হারিয়ে দেয়। মনে পড়ে মানুষের মুখে ঘুরতো সলিল চৌধুরী একটি প্রতিষ্ঠান বিরোধী গান।
“বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা
আজ জেগেছে সেই জনতা।”
এরকম অসংখ্য গানের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।
গান ছিল স্মৃতির প্রযুক্তি: People’s Archive
সরকারি নথিতে দুর্ভিক্ষের বাস্তব চিত্র খুব কমই আছে। অনেক লেখকও নীরব ছিলেন। কিন্তু সলিলের গান সেই অদৃশ্য জনজীবনের ক্ষতচিহ্নকে সংরক্ষণ করে গেছেন। শিশুর খিদে, শ্রমিকের দুঃখ, কৃষকের বঞ্চনা— সবই লিরিকে খোদাই।
এভাবেই সলিলের গান গান হয়ে ওঠে এক People’s Archive—এক সেন্সরশিপ-অবিনশ্বর ইতিহাস ভাণ্ডার। আমরা যদি কোনও এক গায়ের বধূ রানার বা পালকির গান দেখি তাহলে এই সমস্ত গানই আজকের ভাষায় এমন এক সংরক্ষিত দৃশ্যময়তা, যা আগামী দিনের গবেষকদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
নতুন সময়ে পুরোনো প্রযুক্তির প্রত্যাবর্তন
আজকের পৃথিবীতে তথ্য দ্রুত ছড়ালেও সত্যক্রমে অধরা। সংবাদ বিভক্ত, মতপ্রকাশ ঝুঁকিপূর্ণ, বিভ্রান্তির গতি সত্যকে ছাড়িয়ে গেছে। এই সময়ে আবার ফিরে দেখা দরকার সলিলের যুগকে— যেখানে প্রযুক্তি মানে ছিল মানুষের স্পর্শ, আবেগের ভাগাভাগি, সংহতির শক্তি। সলিল চৌধুরীর গান শেখায়— যে প্রযুক্তি মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিতে পারে, সেটাই দীর্ঘস্থায়ী। আজকের ডেটাবেস অ্যালগরিদমের যুগে গানই একমাত্র প্রযুক্তি যা যুক্তি, আবেগ, সংহতি— তিন স্তরেই কাজ করতে পারে। এই কারণে শতবর্ষ অতিক্রান্ত সলিল আজও প্রাসঙ্গিক।
যখন মাথার ওপর এসআইআর নেমে আসছে, সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির জন্য নতুন প্রজন্ম যখন রাজনীতি থেকে মুখ ফেরাচ্ছে, বিকৃত ইতিহাস চর্চার ফলে সমগ্র ভারতবর্ষের জুড়ে যে বিভাজনের রাজনীতির বিকাশ ঘটছে সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমাদের ফিরে যেতে হবে সেই সলিল চৌধুরীর কাছে। তার বিপ্লবী রোমান্টিকতার কাছে যেখানে তিনি সুদূরের পিয়াসীর মতন আমাদের জন্য চিঠি রেখে গেছেন।
“ওগো ঝড়াপাতা,
যদি আবার কখনো ডাকো,
সেই শ্যামল হারানো স্বপন মনেতে রাখো…”
“আমি আবার কাঁদবো হাসবো,
এই জীবন জোয়ারে ভাসবো…”
আপাতদৃষ্টিতে এই কথাগুলো পড়লে মনে হবে, কিছুই না নিছক একটা আবেগ হয়তো বা একটা এলিজি। কিন্তু খুঁটিয়ে ভেবে দেখলে দেখবেন এই কথাগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে জীর্ণ পাতায় ঝরার বেলায় ডাক দিয়ে যায় নতুন পাতার দ্বারে আসলে এই ডাক আর একটা প্রযুক্তিগত ইঙ্গিত আসলে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং যেখানে মানুষের স্মৃতি, সত্তা, ভবিষ্যৎ সংকটে সেখানে সলিল চৌধুরীর গান আজও সমাজ পরিবর্তনের ভ্যানগার্ড।
শেষ কথা: গান মানে প্রযুক্তি, প্রযুক্তি মানে মানবসংযোগ
সলিল চৌধুরী আর গণনাট্য সংঘের মধ্যে যে কেমিস্ট্রি তাতে আমরা শিখেছি— প্রযুক্তি মানে মেশিন নয়; প্রযুক্তি মানে মানুষের সক্ষমতা। যখন একজন মানুষ গান গায়, তার কণ্ঠে ভেসে আসে ইতিহাসের আর্তনাদ, সমাজের স্পন্দন, ভবিষ্যতের সংকল্প। গান সেই সক্ষমতাকে বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়—সংহতির শক্তিতে, তথ্য প্রবাহে, প্রতিবাদের উন্মেষে।
একটি মিছিল, একটি ছন্দ, একটি গলার হাহাকার— সব মিলিয়ে গড়ে ওঠে এমন একটি রাজনৈতিক ইন্টারনেট, যার সূক্ষ্ম তারগুলো গেছে মানুষের ভেতর দিয়ে, আর যার সার্ভার ছিল মানুষের হৃদয়। যে সমাজ গান দিয়ে কথা বলে— তাকে নীরব করা যায় না। যে সমাজ সুর হারায়— সে সমাজ নিজের সত্যকে হারায়।
বর্তমানের ‘গড়পত্তা’ গানের মিছিলে—যদিও ব্যতিক্রম হিসেবে কবীর সুমন বা অভিনেতা অনির্বাণ দের ‘ব্যান্ড হুলিগান’-এর মতো কিছু দল আছে। যারা নতুন কিছু সৃষ্টি করছে তবুও শতবর্ষ অতিক্রান্ত সলিল চৌধুরীর শিক্ষা গণনাট্যের সাংগঠনিক দক্ষতা আমাদের কাছে নতুন রাস্তা দেখায়। বিকল্প প্রতিষ্ঠানের দিকে নিয়ে যায়
সুতরাং প্রযুক্তি-আবিষ্ট পৃথিবীতে সত্যিকার সংযোগের জন্য আবার ফিরতে হবে আমাদের সেই পুরোনো প্রযুক্তিতে— যেখানে ডেটা মানে মানুষ, কানেকশন মানে স্পর্শ, আর শেয়ার মানে অনুভূতির ভাগাভাগি।
তাই আজও প্রাসঙ্গিক সলিল-এর গান।তাই শেষ করব সলিলের কথায়, যেখানে তিনি ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন প্রযুক্তিগত মোবিলাইজেশন টেকনোলজির, যা আজও গণনাট্য সংঘকে যে কোনও শিল্পীর কাছে জনসংযোগের সূত্র হতে যেখানে সলিল চৌধুরী যেখানে সলিল চৌধুরী প্রযুক্তিগত ইঙ্গিত দিয়ে বলছেন,
“এবার আমি আমাকে বাদ দিয়ে
অনেক কিছু জীবনে যোগ দিলাম,
ছোট যত আপন ছিল বাহির করে দিয়ে
ভুবনটারে আপন করে নিলাম।”
এটাই সলিল চৌধুরীর গানের প্রযুক্তি গত সিগনেচার ট্রিটমেন্ট মানুষের মধ্যে মিশে যাওয়ার ফর্মুলা অথবা মোবিলাইজেশন টেকনোলজির এক উজ্জ্বল স্টেটমেন্ট।
Discover more from Tramlineweb
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
